পর্যটন – কক্সবাজার সমাচার https://coxsbazarshomachar.com তথ্য প্রকাশে অবাধ ও নিরপেক্ষ Thu, 05 Sep 2024 23:28:13 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.8.5 সেন্টমার্টিন যেতে রেজিস্ট্রেশনের কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি মন্ত্রণালয় https://coxsbazarshomachar.com/2024/09/06/%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%a8-%e0%a6%af%e0%a7%87%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a7%8d/ https://coxsbazarshomachar.com/2024/09/06/%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%a8-%e0%a6%af%e0%a7%87%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a7%8d/#respond Thu, 05 Sep 2024 23:26:48 +0000 https://coxsbazarshomachar.com/?p=1670 অনলাইন ডেস্ক :

সেন্টমার্টিনে যেতে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে, এমন কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়। বৃহস্পতিবার (৫ সেপ্টেম্বর) মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার দীপংকর বরের পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘সেন্টমার্টিনে যেতে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে’ এ শিরোনামে বিভিন্ন গণমাধ্যমে একটি খবর প্রচারিত হচ্ছে, যা পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। প্রকৃতপক্ষে, সেন্টমার্টিনে যেতে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে, এমন কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেনি পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় বা পরিবেশ অধিদপ্তর।

বৃহস্পতিবার কক্সবাজারে সেন্টমার্টিন দ্বীপে সিঙ্গেল ইউজ প্লাস্টিক ব্যবহার বন্ধে একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সেমিনারে সেন্টমার্টিন দ্বীপের পরিবেশ রক্ষায় অংশীজনদের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা হয়। আলোচনায় সেন্টমার্টিন দ্বীপে সিঙ্গেল ইউজ প্লাস্টিক বন্ধে গুরুত্বারোপ করা হয়। সেখানে সেন্টমার্টিন দ্বীপে যাবার জন্য রেজিস্ট্রেশন সিস্টেম চালুর প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি আলোচিত হলেও এ বিষয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের কোনো সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়নি। অর্থাৎ পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় বা পরিবেশ অধিদপ্তর এ ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেনি।

]]>
https://coxsbazarshomachar.com/2024/09/06/%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%a8-%e0%a6%af%e0%a7%87%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a7%8d/feed/ 0
সেন্টমার্টিন ভ্রমণে পর্যটকদের বাধ্যতামূলক রেজিস্ট্রেশন https://coxsbazarshomachar.com/2024/09/05/%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%a8-%e0%a6%ad%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%ae%e0%a6%a3%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%af/ https://coxsbazarshomachar.com/2024/09/05/%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%a8-%e0%a6%ad%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%ae%e0%a6%a3%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%af/#respond Thu, 05 Sep 2024 17:13:09 +0000 https://coxsbazarshomachar.com/?p=1666 অনলাইন ডেস্ক :

দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন ভ্রমণে পর্যটকদের জন্য বাধ্যতামূলক রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। তবে তা ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে।

বৃহস্পতিবার কক্সবাজারে এক অনুষ্ঠানে পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিওই) ড. আবদুল হামিদ এ কথা জানান।

ড. হামিদ বলেন, দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনে যেতে পর্যটকদের জন্য বাধ্যতামূলক রেজিস্ট্রেশনসহ দ্বীপ রক্ষায় আরও যেসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে তা পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে।

তিনি আরও বলেন, পর্যটন ও পরিবেশের মধ্যে কোনো বিরোধ নেই। কিন্তু, যখন পরিবেশের বড় আকারের ক্ষতি হয় তখনই সমস্যা হয়।

একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক নিষিদ্ধকরণ সংক্রান্ত এ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বলেন, ‘সরকার সেন্টমার্টিন দ্বীপে একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক নিষিদ্ধের একটি পাইলট প্রকল্প নিয়েছে। আশা করছি সকলের সহযোগিতায় শিগগিরই এটি বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘কেউ পাহাড় কেটে জলাশয় ভরাট করলে ছাড় দেওয়া হবে না। পরিবেশ উপদেষ্টার নির্দেশে এরই মধ্যে পাহাড় কাটার বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স অবস্থান নেওয়া হয়েছে। কারণ, শহরের বাতাসের মান সুস্থ থাকলে সেই শহরের মানুষও সুস্থ থাকবে।’

এ সময় কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এডিএম) আতাউল গণি ওসমানী, ইউএনআইডিওর কান্ট্রি ডিরেক্টর জাকি উজ জামান, কক্সবাজার ডিওইর উপপরিচালক সোলায়মান হায়দার, কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের বিভাগীয় কর্মকর্তা সারওয়ার আলম, উত্তর বন বিভাগের বিভাগীয় কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

]]>
https://coxsbazarshomachar.com/2024/09/05/%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%a8-%e0%a6%ad%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%ae%e0%a6%a3%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%af/feed/ 0
ঘুরে বেড়ানো আশ্চর্য পাথর https://coxsbazarshomachar.com/2024/08/04/%e0%a6%98%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8b-%e0%a6%86%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%9a%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%a5/ https://coxsbazarshomachar.com/2024/08/04/%e0%a6%98%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8b-%e0%a6%86%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%9a%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%a5/#respond Sun, 04 Aug 2024 04:24:19 +0000 https://coxsbazarshomachar.com/?p=1104 অনলাইন ডেস্ক :

পাথর তো স্থবির। হাজার হাজার বছর ধরে তা একই জায়গায় স্থির হয়ে থাকে। কিন্তু এমন পাথরও আছে যারা বেড়িয়ে আসতে পারে। নতুন পাথরের জন্মও দিতে পারে।

বিশ্বে অনেক কিছুই আজও সাধারণ মানুষ তো বটেই, এমনকি বিজ্ঞানীদেরও হতবাক করে দেয়। এমনই একটি হল এক ধরনের পাথর। এই পাথরগুলির গা মোলায়েম হয়। কোনও কোণা বা খোঁচার মত থাকেনা। পাথরগুলি বৃষ্টি পড়লেই যেন জেগে ওঠে। বৃষ্টিতে ভেজার পরই পাথরগুলির গা দিয়ে সিমেন্টের মত দেখতে পদার্থ বার হতে থাকে। যা পাথরগুলিকে আরও বড় করতে থাকে।

আবার সময়ে সময়ে এ পাথর থেকে নতুন পাথর ভেঙে বেরিয়ে যায়। তারপর সেই মা পাথরের মতই মোলায়েম শরীর নিয়ে বেড়ে উঠতে থাকে। পাথর পাথরের যে জন্ম দিতে পারে এমনটা সত্যিই অবাক করে।

পাথরগুলি আবার চলাফেরাও করে। পাথর মানে যে এক জায়গায় স্থবির হয়ে থাকবে এমনটা নয়। এ পাথর দিব্যি এধার ওধার ঘুরে বেড়ায়। কোনও প্রাণি বা মানুষ তাদের সরায় না, হাওয়ার ধাক্কাতেও নড়ে না। তবু তারা সরে যায়। বেশিদিন এক জায়গায় থাকেনা।

সাধারণ মানুষের চোখে এই পাথরগুলি আশ্চর্যের চেয়ে কম কিছু নয়। বিজ্ঞানীরা পাথরগুলি পরীক্ষা করে দেখেছেন এগুলি কোটি কোটি বছর আগে এক ভূমিকম্পের ফলে তৈরি হয়েছিল।

সাধারণ মানুষের চোখে এই পাথরগুলি আশ্চর্যের চেয়ে কম কিছু নয়। বিজ্ঞানীরা পাথরগুলি পরীক্ষা করে দেখেছেন এগুলি কোটি কোটি বছর আগে এক ভূমিকম্পের ফলে তৈরি হয়েছিল।

শক্ত পাথরগুলিতে রয়েছে অনেকটা বেলে পাথর। ট্রোভান্ট নামে এই পাথরগুলিতে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম কার্বোনেট রয়েছে। বৃষ্টি হলে এই পাথরগুলির কেন্দ্রস্থলে এক ধরনের রাসায়নিক বিক্রিয়া হয়। যার জেরে পাথরের গা দিয়ে সিমেন্টের মত পদার্থ নিঃসরণ শুরু হয়।

আবার এই পাথর ভাঙলে এর মধ্যে গোল গোল করে চিহ্ন দেখতে পাওয়া যায়। যা তাদের বয়স জানতে সাহায্য করে। ঠিক গাছের গুঁড়ির মত। এগুলি মাটির উত্তাপ বৃদ্ধি বা কমের প্রভাবে নিজের স্থান পরিবর্তন করতে পারে।

এই আজব পাথর কিন্তু বিশ্বের সর্বত্র পাওয়া যায়না। রোমানিয়ার ভালসিয়া কাউন্টিতে কেবল এমন পাথরের দেখা মেলে। এই পাথরদের পরিবার বড় হয় এখানেই।

রোমানিয়ার ভালসিয়া কাউন্টিতে গেলে ট্রোভান্ট পাথরের পরিবারের দেখা মেলে। যেখানে অতিকায় পাথর যেমন মাটির ওপর পড়ে আছে, তেমনই ছোট্ট চেহারার পাথরও রয়েছে। যা আগামী দিনে কিন্তু ঠিক বড় হয়ে উঠবে।

এই পাথরগুলিকে রক্ষা করতে ইউনেস্কো এগিয়ে এসেছে। তারা এই অঞ্চল ঘিরে রেখেছে রক্ষা করতে পাথরগুলিকে। তবে চাইলে মানুষ এই পাথর দেখতে রোমানিয়ার ভালসিয়া কাউন্টিতে আসতেই পারেন।

]]>
https://coxsbazarshomachar.com/2024/08/04/%e0%a6%98%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8b-%e0%a6%86%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%9a%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%a5/feed/ 0
মিরেরসরাই খৈয়াছড়ায় ঝর্ণাপ্রেমী পর্যটকের ঢল https://coxsbazarshomachar.com/2024/06/30/%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%87-%e0%a6%96%e0%a7%88%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%9b%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%9d%e0%a6%b0/ https://coxsbazarshomachar.com/2024/06/30/%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%87-%e0%a6%96%e0%a7%88%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%9b%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%9d%e0%a6%b0/#respond Sat, 29 Jun 2024 23:45:09 +0000 https://coxsbazarshomachar.com/?p=997 হামিদা সুলতানা মণি :
বর্ষায় চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার পাহাড়ি প্রাকৃতিক ঝরনাগুলো যৌবন ফিরে পাওয়ায় ভ্রমণপিপাসুরা ছুটছেন তা প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্য দেখতে। তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি পর্যটক যাচ্ছেন ঝরনার রানী হিসেবে খ্যাত খৈয়াছড়া ঝরনায়। প্রতিদিন দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ ছুটে যাচ্ছেন সেখানে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কোরবানের ঈদের দিন বিকেল থেকে সব ঝরনায় মানুষের ঢল নামে। সেই থেকে এখনো পর্যন্ত ছুটে যাচ্ছেন সব বয়সী পর্যটকরা। দলবেঁধে বন্ধু-বান্ধব, পরিবারের সদস্য ও আত্মীয় স্বজনরা ছুটছেন ঝরনার রূপ গিলতে। ঝরনার শীতল পানিতে শরীর ভিজিয়ে অন্যরকম আনন্দ পাচ্ছেন তারা।

ঝরনার রানী খৈয়াছড়ায় পর্যটকের ঢল সবচেয়ে বেশি। পর্যটক ছুটছেন খৈয়াছড়া ঝরনায়। যেখানে প্রকৃতির অপরূপ সৃষ্টি সেতুবন্ধন করে। সবুজের চাদরে ডাকা বনানী রূপের আগুন ঝরায়। প্রকৃতি খেলা করে আপন মনে, ঝুমঝুম, ছলাৎ-ছলাৎ শব্দে বয়ে চলা ঝরনা ধারায় গা ভিজিয়ে মানুষ যান্ত্রিক জীবনের অবসাদ থেকে নিজেকে ধুয়ে ফেলে সজীব করে।

পাহাড়ের সবুজ রং আর ঝরনার স্বচ্ছ পানি মিশে মিশে একাকার হয়েছে প্রাকৃতিক আট স্তর বিশিষ্ট এ ঝরনায়। প্রকৃতির নান্দনিক তুলিতে আঁকা এ ছবি দেখে মুগ্ধ হচ্ছেন দেশের ভ্রমণপিপাসুরা।

এই ঝরনা দেখতে এসে মুগ্ধ হচ্ছেন দেশ বিদেশের পর্যটকরা। যাতে সত্যিই হতবাক হচ্ছে না কেউ এখন। কারণ ঝরনার পাশে গেলে দর্শনার্থীরাও অবাক হচ্ছে এজন্য যে, এখানকার পাহাড়ি অরণ্যে এতোকাল লুকিয়ে ছিল এমন নান্দনিক অপরূপ সুন্দর ঝরনা।

]]>
https://coxsbazarshomachar.com/2024/06/30/%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%87-%e0%a6%96%e0%a7%88%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%9b%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%9d%e0%a6%b0/feed/ 0
সাদা পাথরের সৌন্দর্য দেখতে কখন যাবেন? https://coxsbazarshomachar.com/2023/06/25/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a6%be-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%a5%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a7%8c%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%96/ https://coxsbazarshomachar.com/2023/06/25/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a6%be-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%a5%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a7%8c%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%96/#respond Sun, 25 Jun 2023 04:33:01 +0000 https://coxsbazarshomachar.com/?p=408 কক্সবাজার সমাচার ডেস্ক :

চারপাশে ছড়িয়ে আছে সাদা পাথর। মনে হয় যেন, প্রকৃতি শুভ্র বিছানা বিছিয়ে রেখেছে। মাঝখানে স্বচ্ছ নীল পানি। চারদিকে ঘিরে আছে ছোট-বড় কয়েকটি পাহাড়। তার উপরে যেন আছড়ে পড়েছে মেঘ। এ ছাড়াও চারপাশে আছে সবুজ প্রকৃতি। সব মিলিয়ে প্রকৃতির যেন অপরূপ এক স্বর্গরাজ্য। দূর দূরান্ত থেকে পর্যটকরা এই অপূর্ব স্থানটি উপভোগের জন্য ছুটে আসে সাদা পাথরের দেশে।

সাদা পাথর আবার কোথায়? নিশ্চয়ই এমনটিই ভাবছেন! সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ভোলাগঞ্জে সাদা পাথর পর্যটনকেন্দ্রের অবস্থান। সিলেট শহর থেকে ৩৫ কিলোমিটার দূরত্বে সীমান্তবর্তী উপজেলা কোম্পানীগঞ্জ অবস্থিত। আর সেখানেই আছে সাদা পাথরের স্বর্গরাজ্য। ভোলাগঞ্জ পাথর কোয়ারির জিরো পয়েন্ট সংলগ্ন নতুন পর্যটন স্পট হিসেবে খ্যাতি লাভ করেছে ‘সাদা পাথর’ নামক স্থানটি।

সিলেট নগরীর সীমানা পার হলেই পৌঁছে যাবেন লাক্কাতুরা চা বাগান। সেখানে সারি সারি চা গাছ দেখে চোখ জুড়াবে। বাংলাদেশের প্রথম চা বাগান এটি। এই চা বাগানের সীমানা পেরিয়ে সালুটিকর বাজার। তারপর কোম্পানীগঞ্জের সীমানা শুরু।

এরপরই দেখবেন, একদিকে সবুজ ধানক্ষেত আর অন্যদিকে বিশাল জলাভূমি। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে করতেই পৌঁছে যাবেন কোম্পানীগঞ্জের টুকের বাজার। সেখান থেকে ট্রলারে আধা ঘণ্টায় ভোলাগঞ্জ জিরো পয়েন্ট সংলগ্ন সাদা পাথর পর্যটন স্পটে পৌঁছে যাবেন।

ভোলাগঞ্জ কোয়ারির জিরো পয়েন্টের ওপারে উঁচু পাহাড়ে ঘেরা বনাঞ্চল। সেদিকে তাকালেই চোখ জুড়িয়ে যাবে। চারদিকে শুধু সবুজ আর সবুজ। আর নিচে তাকালেই দেখবেন সাদা পাথর ছড়িয়ে আছে। আর মাঝে স্বচ্ছ পানি। সেখান থেকে নেমে আসছে ঝরনার অশান্ত শীতল পানি। ঝরনার পানি গড়িয়ে চলে যাচ্ছে ধলাই নদীর বুকে।

ভোলাগঞ্জ যাওয়ার সঠিক সময় কখন?

সারাবছরই সাদা পাথরের দেশে ঘুরতে যেতে পারেন। তবে বর্ষার সময় এ স্থানের সৌন্দর্য দ্বিগুণ বেড়ে যায়। জুন থেকে সেপ্টেম্বর এই সময় যাওয়ার জন্যে সবচেয়ে উপযুক্ত সময়। অন্যসময় গেলে সেখানে পাথরের সৌন্দর্য দেখতে পেলেও নদীতে বা ছড়ায় পানির পরিমাণ কম থাকবে। শীতকালে সাদা পাথর এলাকায় নৌকা চলাচল করার মতো পানি থাকে না। তখন পায়ে হেঁটে ঘুরে দেখতে হবে।

আর বর্ষায় নদীর বুকে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা পাথরের বিছানা ভরাট নদীর শোভা বাড়িয়ে দেয় হাজারগুণ। সাদা পাথরের ওপর দিয়ে বয়ে চলা ঝরনার পানির তীব্র স্রোতে নয়ন জুড়ায়। অনেকেই সাদা পাথর পর্যটন স্পটকে ছবিতে বিছনাকান্দি ভেবে ভুল করেন!

দেখতে একই মনে হলেও সামনাসামনি গেলে পার্থক্যটা চোখে পড়বে। সেখানকার সবচেয়ে সুন্দর দৃশ্য বোধ হয় পাথরের ওপর দিয়ে প্রবল বেগে বয়ে চলা পানি। কলকল শব্দে অশান্ত হয়ে নদীর বুকে মিশে যায় ঝরনার পানি।

ভারত থেকে নেমে আসা সীমান্ত নদী ধলাই নদীর জিরো পয়েন্ট এলাকা স্থানীয়ভাবে ‘সাদা পাথর’ এলাকা হিসেবে পরিচিত। এই স্পটটি এখন পর্যটকদের কাছে আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে। নয়নাভিরাম প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমণ্ডিত এলাকাটি দেখতে প্রতিদিনই পর্যটকরা সেখানে ভিড় করেন।

জানা যায়, ভারতের খাসিয়া জৈন্তিয়া পাহাড় থেকে নেমে আসা ধলাই নদীর পানির সঙ্গে প্রতিবছর বর্ষাকালে নেমে আসে প্রচুর পাথর। ধলাই নদীর তলদেশেও রয়েছে পাথরের বিপুল মজুদ। পাথর উত্তলোনের কাজ সহজ করতে ১৯৬৪-১৯৬৯ সাল পর্যন্ত ভোলাগঞ্জ রোপওয়ে নির্মাণ করা হয়। বর্তমানে রোপওয়ে টাওয়ারগুলো কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।

সেখানে গেলেই চোখে পড়বে পাথর উত্তেলনের দৃশ্য। ছোট ছোট নৌকায় করে পাথর উত্তলোন করে বয়ে নেওয়ার দৃশ্য আপনাকে মুগ্ধ করবে। এভাবেই সেখানকার মানুষেরা জীবিকা নির্বাহের উদ্দেশ্যে পাথর উত্তোলন করে থাকেন। দেশের সর্ববৃহৎ পাথর কোয়ারি ভোলাগঞ্জের উৎসমুখ সাদাপাথরে সবসময়ই চেরাপুঞ্জি থেকে স্বচ্ছ নীল ও ঠান্ডা পানি নেমে আসে।

কীভাবে যাবেন সাদা পাথর দেখতে?

সিলেট নগরীর আম্বরখানা থেকে সিএনজি চালিত অটোরিকশা চলে সিলেট কোম্পানীগঞ্জ রুটে। ১২০ টাকা জনপ্রতি ভাড়ায় কোম্পানীগঞ্জের টুকের বাজারে নামাবে। টুকের বাজার থেকেই ট্রলারে চলে যেতে পারেন সাদা পাথর।

কোম্পানীগঞ্জ পৌঁছে টুকের বাজার ঘাট থেকে ট্রলারে সাদা পাথর পৌঁছাতে ৩০ মিনিটের মতো সময় লাগবে। যাওয়া-আসায় নৌকা ভাড়া পড়বে ১০০০-১২০০ টাকা। এখানে নৌকা রিজার্ভ করে নিতে হয়, অন্যথায় ভুগতে হবে।

তাই দলবেঁধে গেলে খরচটা একটু কম হবে। সিলেট থেকে ভোলাগঞ্জ সরাসরিও চলে যাওয়া যায়। ১০ মাইল নামক স্থান থেকে নৌকা নিলে ৫০০-৬০০ টাকা ভাড়া পড়বে, তবে এক্ষেত্রে অতিরিক্ত ভাড়া গুনতে হবে অটোরিকশায়।

]]>
https://coxsbazarshomachar.com/2023/06/25/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a6%be-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%a5%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a7%8c%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%96/feed/ 0
মিয়ানমারের আপত্তিতে নাফ ট্যুরিজম পার্কের কাজ বন্ধ https://coxsbazarshomachar.com/2023/06/24/%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a6%aa%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%ab/ https://coxsbazarshomachar.com/2023/06/24/%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a6%aa%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%ab/#respond Sat, 24 Jun 2023 14:33:28 +0000 https://coxsbazarshomachar.com/?p=395 কক্সবাজার সমাচার ডেস্ক:

মিয়ানমারের আপত্তির মুখে বন্ধ হয়ে গেছে নাফ ট্যুরিজম পার্কের উন্নয়নকাজ। কক্সবাজারের টেকনাফে নাফ নদীর মোহনায় অবস্থিত জালিয়ার দ্বীপে এই পার্ক নির্মাণের কথা ছিল। নাফ নদী থেকে পার্কের জন্য বালু তোলা নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে মিয়ানমার।

বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) কয়েকটি পর্যটনকেন্দ্র তৈরি করছে, যার একটি নাফ ট্যুরিজম পার্ক।

সাবেক সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদির সঙ্গে দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে নাফ ট্যুরিজম পার্কের নির্ধারিত স্থান জালিয়ার দ্বীপের জমি বুঝে পায় সরকার। দ্বীপটির আয়তন ২৯১ একর।

বেজা থেকে পাওয়া তথ্য বলছে, ২০২০ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি নাফ ট্যুরিজম পার্কের মহাপরিকল্পনা অনুমোদন দেয় সরকার। সেখানে পর্যটকদের থাকার জন্য হোটেল ও ইকো কটেজ, যাওয়ার জন্য কেব্‌ল কার, ঝুলন্ত সেতু ও ভাসমান জেটি নির্মাণের কথা। দ্বীপটিতে শিশুপার্ক, পানির নিচের রেস্তোরাঁ, ভাসমান রেস্তোরাঁসহ বিভিন্ন পর্যটন স্থাপনা করার পরিকল্পনাও রয়েছে বেজার।

বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান শেখ ইউসুফ হারুন গত মাসে নাফ ট্যুরিজম পার্ক পরিদর্শনে যান। সেখান থেকে ফিরে তিনি একটি প্রতিবেদন তৈরি করেন। এতে তিনি উল্লেখ করেন, দ্বীপটি এখন মহিষের চারণভূমি। বর্তমানে সেখানে উন্নয়নকাজ বন্ধ আছে।

জালিয়ার দ্বীপের এক পাশে মিয়ানমার, অপর পাশে বাংলাদেশের নেটং পাহাড়। দ্বীপটিকে একটি সম্ভাবনায় পর্যটন পার্ক হিসেবে বিবেচনা করেছিল বেজা। সংস্থাটির তথ্য বলছে, ট্যুরিজম পার্কের প্রথম পর্যায়ে ভূমি উন্নয়নের কাজ শুরু হয় ২০২০ সালে। কাজটি পেয়েছিল এম এম বিল্ডার্স নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। নাফ নদী থেকে মাটি তুলে ভরাটের কাজ ৫০ শতাংশ করে ফেলেছিল তারা।

বেজা সূত্র জানায়, ২০২২ সালের শুরুর দিকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আনুষ্ঠানিক আপত্তি জানায় মিয়ানমার। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তা বেজাকে জানায়। এদিকে বিকল্প কোনো উপায় না পেয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মাটি ভরাটের কাজ শেষ না করে চলে যায়।

বেজার কর্মকর্তারা বলছেন, মিয়ানমার সরকার আপত্তি জানিয়ে বলেছে নাফ নদীতে খনন (ড্রেজিং) করতে হলে পারস্পরিক সম্মতি লাগবে। সে ক্ষেত্রে তারা নাফ নদীর পানি প্রত্যাহার ও অন্যান্য বিষয়ে ১৯৬২ সালে সম্পাদিত একটি দ্বিপক্ষীয় চুক্তির কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছে। টেকনাফের আরেক পর্যটনকেন্দ্র সাবরাংয়ের জন্য নাফ নদী থেকে মাটি তোলার সময়ও (২০১৯) মিয়ানমার আপত্তি জানিয়েছিল। বেজা তখন শাহ পরীর দ্বীপের আশপাশ থেকে মাটি আনে।

নাফ ট্যুরিজম পার্কে যে মাটি ভরাট করা হয়েছিল, তা আবার বৃষ্টির পানিতে ধুয়ে নদীতে চলে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন বেজার কর্মকর্তারা। তাঁরা আরও জানিয়েছেন, ভূমি উন্নয়নের পাশাপাশি একই সময়ে ২২ একর জায়গাজুড়ে সীমানাপ্রাচীর নির্মাণকাজ চলছিল। সেই কাজ শেষ না করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চলে গেছে।

নাফ ট্যুরিজম পার্কে এখন পর্যন্ত সরকারের কত টাকা ব্যয় হয়েছে, তা সুনির্দিষ্টভাবে জানা যায়নি। অবশ্য সম্ভাব্যতা যাচাই, মাটি ভরাট, সীমানাপ্রাচীর নির্মাণসহ বিভিন্ন কাজে ৩০ কোটি টাকার মতো ব্যয় হয়েছে বলে ধারণা দিয়েছেন বেজার কর্মকর্তারা।

]]>
https://coxsbazarshomachar.com/2023/06/24/%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a6%aa%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%ab/feed/ 0
চট্টগ্রামে পর্যটক বাস উদ্বোধন https://coxsbazarshomachar.com/2023/06/08/%e0%a6%9a%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%9f%e0%a6%95-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b8-%e0%a6%89%e0%a6%a6/ https://coxsbazarshomachar.com/2023/06/08/%e0%a6%9a%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%9f%e0%a6%95-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b8-%e0%a6%89%e0%a6%a6/#respond Thu, 08 Jun 2023 15:15:22 +0000 https://coxsbazarshomachar.com/?p=82 চট্টগ্রামে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে প্রথমবার মতো  চালু হচ্ছে পর্যটক বাস। নগরীর টাইগারপাস থেকে প্রধান পর্যটন স্পট পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকত ও ফৌজদারহাটে নবনির্মিত ডিসি পার্ককে ঘিরে চলবে এই বাস।

বৃহস্পতিবার (৮ জুন) দুপুর ১২টায় এ বাস সার্ভিসের উদ্বোধন করেন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব এবিএম আমিন উল্লাহ নুরী।

এর আগে এ উপলক্ষে সকাল ১০টায় সার্কিট হাউসে এক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সড়ক পরিবহন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান মো. তাজুল ইসলাম, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার মো. আমিনুর রহমান, জেলা প্রশাসক আবুল বাশার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান, সিএমপি কমিশনার কৃষ্ণ পদ রায়।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, প্রথমিক পর্যায়ে বিআরটিসির দুটি দ্বিতল বাসকে পর্যটক বাস হিসেবে তৈরি করা হয়েছে। এর মধ্যে পর্যটকদের চাহিদার কথা মাথায় রেখে একটি ছাদখোলা বাসও রাখা হয়েছে। প্রতিদিন বিকেল ৩টা ও ৪টায় টাইগার পাস থেকে ডিসিপার্ক হয়ে পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকতের পথে যাত্রা করবে পর্যটক বাস। সন্ধ্যা ৭টা ও রাত ৮টায় শহরে ফিরবে বাস দুটি। তবে ছুটির দিনগুলোতে বিকেলের পাশাপাশি সকালেও চলাচল করবে এই দুই বাস।

প্রতি শুক্রবার সকাল ৯টায় টাইগার পাস থেকে পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতে যাত্রা করে দুপুর ১২টায় একই বাসে ফেরা যাবে শহরে।

অন্যদিকে, শনিবার সকাল সাড়ে ৯টা ও সাড়ে ১০টায় দুবার টাইগার পাস থেকে পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতের উদ্দেশ্যে যাত্রা করবে পর্যটক বাস। বাস দুটো পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত থেকে টাইগার পাসের উদ্দেশে ফিরতি যাত্রা করবে দুপুর ১২টা ও দুপুর ১টায়।

পর্যটন বাস সার্ভিসে ভ্রমণের জন্য টাইগার পাস থেকে ডিসি পার্ক ৪০ টাকা, ডিসি পার্ক থেকে পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত ৩০ টাকা, টাইগার পাস থেকে পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত ৭০ টাকা, একইভাবে পতেঙ্গা থেকে ডিসি পার্ক ৩০ টাকা, ডিসি পার্ক থেকে টাইগারপাস ৪০ টাকা, পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকত থেকে টাইগারপাস ৭০ টাকা টিকেটের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। ভ্রমণপ্রত্যাশীদের চাহিদা বাড়লে ভবিষ্যতে বাসের সংখ্যা বৃদ্ধি এবং এসি বাস যোগ করা হবে বলেও জানায় জেলা প্রশাসন।

]]>
https://coxsbazarshomachar.com/2023/06/08/%e0%a6%9a%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%9f%e0%a6%95-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b8-%e0%a6%89%e0%a6%a6/feed/ 0