জিয়াউল হক জিয়াঃ
ধর্ম যার-যার নিরাপত্তা পাবার অধিকার সবার।সামনে বসে থাকা হাজার-হাজার সনাতনী ভাই-বোন সহ সকল ধর্মাবলম্বী ভাই-বোন মুখের মুক্ত হাসি দেখে মনে হচ্ছে-সবাই বিএনপি ক্ষমতা থাকাকালে নিরাপদে থাকেন।এদেশে যখনই বিএনপি রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা ছিল,তখনই ধর্মীয় স্বাধীনতা,যানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত ছিল।যখন থেকে বিএনপি ক্ষমতায় ছিলনা,তখন থেকে মানুষের বাঁক স্বাধীনতা,ব্যক্তির নিরাপত্তা ছিলনা,নেই।সেই দিন থেকে নিরাপদে,মুক্ত পরিবেশে,স্বাধীনভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে এদেশের নাগরিক পারে নাই।এখন আপনারা সেই অধিকার সহ রাষ্ট্রের মালিকানা ফেরত পেয়েছেন।আমরা সবাই এদেশের রাজা,সকল জনগণই এই রাষ্ট্রের মালিক,জনগণই সার্বভৌম।জনগণের সেই অধিকার ফেরত দেওয়ার জন্য আগামী ১২ তারিখ প্রত্যকেই একটা করে ধানের শীর্ষে ভোট দিবেন,ভোট চাচ্ছি আমি।এদেশের জনগণ,এদেশের স্বাধীনতা একমাত্র বিএনপির হাতে সুরক্ষিত।এবারের নির্বাচন,বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন। এবারের নির্বাচনই নির্ধারণ করবে,বাংলাদেশের গণতন্ত্রের শক্তিশালী প্রক্রিয়াকে।এবারের নির্বাচন আপনাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের জন্য কঠিন পরীক্ষা।সুতরাং মুক্ত পরিবেশে,আপনি ও আপনারা ভোট নিজের পচ্ছন্দের প্রার্থীয় প্রয়োগ করবেন।এবারের সংসদে সবচেয়ে বেশি আইন প্রয়োগ,সংবিধান সংশোধন করা হবে। এদেশের গণতন্ত্র সুরক্ষিত,জনগণের অধিকার নিশ্চিত করার জন্য প্রত্যকেই ধানের শীর্ষে ভোট দিবেন,এমন আশা,বিশ্বাস,প্রত্যাশা রেখে সবার কাছে এলাকার উন্নয়ন,রাষ্ট্রের উন্নতি সাধনে খাদেম হিসাবে কাজ করার দোয়া চেয়েছেন কক্সবাজার-১,চকরিয়া-পেকুয়া আসনের ধানের শীর্ষ তথা বিএনপির মনোনিত প্রার্থী এবং বিএনপির স্হায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী জননেতা সালাহউদ্দিন আহমেদ।
চকরিয়ার উত্তর কাকারা মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে কাকারা ইউনিয়ন বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে (২৭ জানুয়ারী) বিকেল ৪টায় অনুষ্ঠিত নির্বাচনী জনসভায় অসংখ্য কথা ভিতরে এসব কথা গুলো বলেছেন তিনি।
এসময় উপজেলা বিএনপির সভাপতি এনামুল হক চৌধুরী,সাধারণ সম্পাদক এম মোবারক আলী সহ উপজেলার বিএনপি ও সহযোগী সংগঠন এবং ইউনিয়ন বিএনপি ও সহযোগী সংগঠন নেতাকর্মী ছাড়াও জিয়া পরিবার,সালাহউদ্দিন ও ধানের শীর্ষ ভক্ত সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
তবে নির্বাচনী জনসভায় সনাতনী ধর্মাবলম্বী সহ স্মরণকালের সর্বোচ্চ মানুষের উপস্থিতি দৃশ্যমান হয়েছে।
Leave a Reply