স্টাফ রিপোর্টারঃ কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার টইটং ইউনিয়নের জালিয়ার চাং গর্জনীয়া পাড়ায় দিনরাতে নির্বিচারে কাটা হচ্ছে পাহাড়,পাচার হচ্ছে সেই পাহাড়ী মাটি। পাহাড় কাটার ফলে জীবন ঝুঁকি সহ মাথা গোছার ঠাঁইয়ের শঙ্কায় অসহায় তিনটি পরিবার। এছাড়াও পাহাড় ধসের আতঙ্ক, ভাঙনের আশঙ্কা বিদ্যমান। গেল দুসপ্তাহ ধরে প্রতিটি রাতে স্কেভেটর দিয়ে পাহাড়ী মাটি কেটে পাচার করছেন প্রভাবশালী ৪/৫জন লোকের এক সিন্ডিকেট। তাদের দাপুটে ভয়ে মুখ খুলছেন না স্হানীয়রা।
ঝুঁকিতে বসবাসরত পরিবারগুলো হলো,আবদুল খালেক, আবদুল মালেক ও মোহাম্মদ সুইয়াবের পরিবার।
ভূক্তভোগী পরিবারের লোকজন জানান-অবৈধভাবে পাহাড় কেটে মাটি পাচারের দায়ে বসত ঘরের চর্তুপাশে মাটি সরে যাচ্ছে। বর্ষায় কোনভাবে রক্ষা করা যাবেনা। ভুমিধস অনিবার্য। আমরা অসহায়,গরীব পরিবার হিসাবে ঘরবাড়ি মাটির নিচে চাপা পড়ার আশঙ্কায় চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছি।
স্থানীয়রা জানান-ওমান প্রবাসী আমান উল্লাহ, আবু তাহের, বাচ্ছু, শাহাদাত ও ইসমাইল সহ কয়েকজন প্রভাবশালী সিন্ডিকেট দীর্ঘদিন ধরে পাহাড় নিধন প্রতিযোগিতায় নেমেছে।
বনবিভাগের দালাল অলী আহমদের মাধ্যমে টইটং বিট কর্মকর্তাকে ম্যানেজ করেই কাটা হচ্ছে পাহাড়।
তবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এসব বিষয় অস্বীকার করলেও পাহাড় কাটা বন্ধে এ্যাকশন নিচ্ছেন না।
সরেজমিন দেখা গেছে, গর্জনীয়া পাড়ায় বিশাল আকৃতির একটি পাহাড় কেটে সাবাড় করা হয়েছে। মাটি কাটার কাজে একটি স্কেভেটর গাড়ি সেখানে রাখা হয়েছে। পাহাড় কাটার দৃশ্যটি দেখলে মনে হয় পাহাড়ের বুক ছিড়ে সরু রাস্তা বেরিয়ে গেছে। দুপাশে তিনটি পরিবার একপ্রকার ভাঙনের কিনারায় দাঁড়িয়ে মৃত্যুর প্রহর গুনছে।
চট্টগ্রাম দক্ষিণ বনবিভাগের বারবাকিয়া রেঞ্জ কর্মকর্তা খালেকুজ্জামান বলেন, আমি টইটং বিট কর্মকর্তার সাথে আলাপ করে দেখব। যদি আমাদের রিজার্ভের জায়গা হয় তাহলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Leave a Reply