স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার রাতে এলাকার বাসিন্দা প্রীতিময় তঞ্চঙ্গ্যার ঘর থেকে হঠাৎ আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুনের লেলিহান শিখা পাশের ঘরগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। আগুনের তীব্রতায় বসতঘর সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। তবে অভিযোগ উঠেছে, উপজেলা সদরের প্রবেশমুখে থাকা তোরণ বা গেটের উচ্চতা কম হওয়ায় ফায়ার সার্ভিসের বড় গাড়িটি ভেতরে প্রবেশ করতে পারেনি।
এই প্রতিবন্ধকতার কারণে বিকল্প উপায়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে ফায়ার সার্ভিসের প্রায় আধা ঘণ্টা দেরি হয়। ততক্ষণে আগুনের ভয়াবহতা বেড়ে যায়। পরবর্তীতে ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়দের সম্মিলিত চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও ক্ষতিগ্রস্তদের শেষ সম্বল রক্ষা করা সম্ভব হয়নি।
ক্ষয়ক্ষতির বিবরণ অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত চারটি পরিবারের ঘরবাড়ি এবং ভেতরে থাকা আসবাবপত্র, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নগদ অর্থ ও মজুদকৃত খাদ্যশস্য পুড়ে গেছে। তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির সঠিক আর্থিক পরিমাণ নির্ধারণ করা সম্ভব না হলেও এর পরিমাণ লক্ষধিক টাকা ছাড়িয়ে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো বর্তমানে খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছে।
এতে রোয়াংছড়ি উপজেলা নির্বাহি অফিসার তাজমিন আলম তুলি বলেন , এই মুহূর্তে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের কাছে ১নং রোয়াংছড়ি সদর ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষে চল্লিশটি কম্বল, চাউল পঞ্চাশ(৫০) কেজি দুই বস্তা, পাঁচটি গামছা, পাচঁটি লুঙ্গি, অনুদান দেওয়া হয়েছে। সথে রোয়াংছড়ি আর্মি ২৮ বেঙ্গল পক্ষ থেকে নগদ ৫০০০ টাকা সহ চার পরিবারে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।
প্রশাসনের পরিদর্শন ঘটনার পরপরই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও পুলিশের একটি দল দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শনে করেছে। রোয়াংছড়ি থানা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগুনের প্রকৃত কারণ এবং ক্ষয়ক্ষতির সঠিক তালিকা তৈরির কাজ চলছে।
Leave a Reply