নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের,ফুলছড়ি রেঞ্জের,খুটাখালী বনবিটের গহীন বনাঞ্চলের ভিতর থেকে প্রবাহিত হয়ে আসা খুটাখালী ছড়াখালের ফান্ডাছড়ি ও মুচ্ছিকাটা এলাকা থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের গর্তে আটকা পড়ে শামসুল আলম প্রঃ শামসুল (৫০) নামের এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) সকালে বালু উত্তোলন গর্তে আটকা শ্রমিক শামসুকে সন্ধ্যা ৬টার দিকে উদ্ধার করা হয়।
নিহত শ্রমিক শামসুল আলম (৫০) চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের সেগুনবাগিচা এলাকার সাবেক হেডম্যান মৃত অলি আহমদের ছেলে।তিনি সাবেক হেডম্যান সৈয়দ আহমদের আপন ছোট ভাই।
স্হানীয়রা জানান-খুটাখালী বনবিটের ফান্ডাছড়ি ও মুচ্ছিকাটা এলাকার খুটাখালী ছড়াখাল থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছেন ফারুক,টুনু,সৈয়দ সহ আরো ১/২ জনের সিন্ডিকেট।তাদের বালু উত্তোলন কাজে গিয়ে বালু উত্তোলন গর্তে আটকা পড়ে শামসুল আলম নামের এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।তাদের পাশাপাশি আকতুল হোসেনের অবৈধ বালু মহাল আর ফুলছড়ি বিটের কবির হোসেনের অবৈধ বালু মহাল রয়েছে।যেখান থেকে সাপ্তাহিক মাসোয়ারা নেন সংশ্লিষ্ট বনবিভাগের কর্মকর্তারা।অবৈধ বালু উত্তোলনের খরব দানকারী তথ্য ফাঁস করেন বনবিভাগ।ফলে বনাঞ্চল ধ্বংস ও পরিবেশ বিপর্য হুমকির মুখে।বনবিভাগের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা অভিযানে আসার আগে স্হানীয় কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা তথ্য ফাঁস করে সর্তক করেন দেন বলে গুরুতর অভিযোগ সংশ্লিষ্ট বনবিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে।
খুটাখালী বিটকর্মকর্তা নাজমুল জানান-আমিতো ট্রেনিংনে আছি।এরপূর্বে আমি ও আমার স্টাপেরা অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধে একাধিক বার অভিযান পরিচালনা করেছি।পরে বালু উত্তোলনকারীদের নামে মামলা দিয়েছি।বালু উত্তোলন পয়েন্টটি গহীন বনাঞ্চলের ভিতরে হওয়াতে রাতে আধারে তারা বালু উত্তোলন করে,রাতে বিক্রি দেন।আমরা অবৈধ বালু উত্তোলনকারীদের থেকে এক পয়সাও মাসোয়ারা নেয়নি।যারা বলেছেন তাও সম্পূর্ণ ভুল তথ্য আর র্দূনাম ছড়ানো ছাড়া কিছু নহে।
বর্তমানে বিটের ভারপ্রাপ্ত দায়িত্ব পালন করা আয়াতুল্লাহ জানান-রাতের আধারে ফান্ডাছড়ি এলাকা থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছে।সেই বালু উত্তোলন গর্তে আটকা পড়ে শামসু নামের এক লোক মারা গেছে শুনেছি।পয়েন্টটি ফারুক আর টুনু,সাবেক হেডম্যান সৈয়দ সহ আরো ১/২জনের শেয়ারের করা বলে জেনেছি।তবে বিট কর্মকর্তা তাদের বালু উত্তোলন বন্ধে অভিযান চালিয়ে মামলাও দিয়েছেন।তবুও বালু উত্তোলন থামেনি।
ফান্ডাছড়ির অবৈধ বালু উত্তোলন গর্তে আটকা পড়ে মারা যাওয়া শামসুর বিষয়ে সম্পর্কে জানতে রেঞ্জ কর্মকর্তা কুদ্দুসুর রহমানকে কয়েক বার ফোন করা হলেও,ফোন রিসিভ না করায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
Leave a Reply