জিয়াউল হক জিয়া,কক্সবাজারঃ
কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের বালিয়াড়ি দখলে গড়ে তোলা অবৈধ স্হাপন গুলো উচ্ছেদ করেছেন জেলা প্রশাসক ও পুলিশ প্রশাসন।
তবে গত ৯ মার্চ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ মন্ত্রীর হওয়ার পরে নিজ জেলায় প্রথম সফরে এসে পর্যটকদের সুবিধার্থে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত থেকে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের নির্দেশ দেন মন্ত্রী।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশনা মত বালিয়াড়ি দখলমুক্ত হলেও বিগত আওয়ামী সরকার আমলে সরকারি জমি দখল করে অবৈধভাবে গড়ে তোলা সুগন্ধা পয়েন্টেে দাঁড়িয়ে আছে ‘ড্রাগন মার্কেট’।
স্হানীয় বাসিন্দা আর সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন জাগে-এই ড্রাগন মার্কেটের মালিক আওয়ামী লীগ আমলে বড় বড় নেতাদের ছত্রছায়ায় মার্কেটটি তৈরী করলেও,এখন কার ইশারায় উচ্ছেদ ঠেকিয়ে দাঁড়িয়ে আছে।
কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের নজরকাড়া সৌন্দর্য বাড়ায় সুগন্ধা পয়েন্ট।সমুদ্রের উঠানামার প্রধান ফটকের জায়গা আ’লীগের প্রভাব কাটিয়ে জবরদখল করে গড়ে তোলা ড্রাগন মার্কেটের সুগ্ধ কি?এখনো ছড়ায়।
বিভিন্ন সময় এই বালিয়াডিতে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করতঃ জেলা প্রশাসন,টুরিস্ট্য পুলিশ প্রশাসন।কিন্তু প্রতিবারেই উচ্ছেদ অভিযানে পার পেয়ে যেত ড্রাগন মার্কেট।সৈকতের বালিয়াড়িতে সর্ববৃহৎ উচ্ছেদ অভিযান হলো সম্প্রতি সময়ে করা উচ্ছেদ অভিযান।এখনো কিভাবে উচ্ছেদ আতংক গাঁয়ে লাগেনি ড্রাগনে।
স্হানীয়দের অভিযোগ-আ’লীগ সরকারের আমলে জেলার প্রভাশালী নেতাদের দাপট আর দূর্নীতিগ্রস্ত প্রশাসনের একটি সিন্ডিকেট রাতারাতি সরকারি কোটি টাকার জায়গা দখলের সুযোগ দেন।দখলদার ড্রাগন মার্কেটের মালিক র্নিভয়ে জায়গাটি নিজের করে লুপে নেন।
দেশ-বিদেশের পর্যটকদের কাছে পরিচিত সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্ট।এই পয়েন্টের সড়কের উত্তর ও দক্ষিণ পাশে প্রধানমন্ত্রী জনসভাকে পুঁজি করে,জেলা প্রশাসনের নাম আর ছবি ব্যবহারের মাধ্যমে গড়ে উঠেছিল ড্রাগন মার্কেট।এমন সংবাদ গণমাধ্যমে প্রায় সময় প্রকাশ হতো।তৎকালীন সৈকতের জায়গা দখলবাজিতে কোটি-কোটি টাকা হাতিয়ে নিত আ’লীগ নেতা আর সংশ্লিষ্ট প্রশাসন।
স্হানীয়দের অভিযোগের তীর কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (কউক) ও জেলা প্রশাসনের দিকে।কারণ তখনকার আ’লীগ নেতা আর প্রশাসন চক্রের হাত কি?এখনো ড্রাগন মার্কেট রক্ষার ক্ষমতা রাখছে।বারবার উচ্ছেদ থেকে ড্রাগন মার্কেট কিভাবে পার পাচ্ছে?জবাব দিবেন কে?
বিগত ২০২২ সালের নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাসেও উচ্ছেদ অভিযান চালানো হলেও ড্রাগন মার্কেট উচ্ছেদ না করে ছোটকাট ঝুঁড়ি দোকানপাট সরানো হতো না।ঠিক তেমনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর নিদের্শনা পালন করতে গিয়েও পূর্বে দৃশ্য ড্রাগন মার্কেট রেখে বাকীগুলো উচ্ছেদ করা হলো।প্রশ্ন জাগে মার্কেটটি উচ্ছেদের বাঁধাকারী কারা?
পরিবেশবাদী সংগঠের নেতা বলছেন,ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে বালিয়াড়ি গড়ে তোলা এসব স্থাপনা সমুদ্র সৈকতের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য নষ্ট ও পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি করছে।’পর্যটকদের সুবিধা ও অবাধে বিচরণ নিশ্চিত কল্পে এটি উচ্ছেদ অতিব জরুরী।
সম্প্রতি উচ্ছেদ হওয়া বালিয়াডির ছোটকাট ব্যবসায়ীরা বলেন-প্রশাসন দূর্বলদের ওপর ঝাপিয়ে পড়ে।ড্রাগন মার্কেট উচ্ছেদ সরব থাকার রহস্য কি?জানাতে চান তারা!
কক্সবাজার জেলা প্রশাসন ও কউক সূত্রে জেনেছি-সৈকতের বালিয়াডি সহ অবৈধ স্হাপনা উচ্ছেদে বদ্ধপরিকর।তাই সম্প্রতি সময়ে প্রায় ৫শতাধিক স্হাপনা সরিয়েছি।অবাধ্য দখলবাজ বা ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে ব্যবস্হা নিতে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছেন প্রশাসন।
Leave a Reply