জিয়াউল হক জিয়াঃ
কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার খুটাখালীতে সেহেরীর সময় অস্ত্র মূখে জিম্মি করে পরিকল্পিত ভাবে বসতঘর ডাকাতি।এসময় ডাকাতেরা ৩ভরি স্বর্ণালংকার সহ নগদ টাকা,ব্যবহৃত লুট করার বিষয়ে থানায় লিখিত এজাহার দায়ের করা হয়েছে।
মামলার বাদী-ভূক্তভোগী বোরহান উদ্দিন (৩০) উপজেলার খুটাখালী ইউপির ৯নং ওয়ার্ডের পূর্ব নয়াপাড়ার সবুজপাহাড়ের মৃত নূরুল হাকিমের ছেলে।
স্বর্বহারা ভূক্তভোগী মামলার বাদী বোরহান উদ্দিন জানান-গতরাত শনিবার সেহেরীর সময় পরিবারের সবাই ঘুম থেকে উঠে রান্নাবান্না,নামাজ-কালামে ব্যস্ত হয়ে পড়ি।এমতাবস্থায় দরজায় স্বজোরে ধাক্কা দিয়ে সংঘবদ্ধ ডাকাতদল ঘরে ঢুকে অস্ত্র ধরে সবাইকে জিম্মি করে ফেলে।তবুও আমি চিৎকার করলে আমাকে বেদড়ক মারধর করে মূখ, হাত-পা বেঁধে ফেলে রাখেন।ঐদিন আমার ছোট বোন ইছরাত জাহান (২৬) বেড়াতে আসেন।আমার বোনের গলায় পরিহিত ১ভরি ওজনের চেইন,১ভরি ওজরে হাতের ২টি আংটি,১ভরি ওজনের কানের এক জোড়া দুল,একটি স্যামসাং স্মার্ট ফোন,তার লেডিস ব্যাগে থাকা নগদ ২০ হাজার টাকা,আলমিরাতে থাকা আমার মায়ের ১৫হাজার টাকা, আমার একটি ভিভো মোবাইল ফোন,আমার পানজাবীর পকেটে থাকা ৫ হাজার টাকা লুট করে নিয়ে যান ডাকাতেরা।
বাদী আরো জানান-মূখোশ পরিহিত ডাকাতেরা অস্ত্র সজ্জিত হলোও,ঐদিন বিকেলে চেনাজানা এক লোক আমার বাড়ীর আশপাশে ঘুরতে দেখা গিয়েছিল।ডাকাতির সময় লুঙ্গি পরা লোকটির হাঁক-ডাকে গলার কন্ঠের স্বর আমাদের খুবই পরিচিত।ফলে আমার বা আমাদের সন্দেহ লাগছে।এমনকি এলাকার কিছু লোকেও তাদেরকে চলে যেতে দেখা যায়।বিধায় আমরা এখন স্বর্বহারা।তাই সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
মামলার তদন্ত-কর্মকর্তা চকরিয়া থানার অপারেশন অফিসার ফরিদুল আলম বলেন-মহাসড়কের লাগোয়া ডাকাতির শিকার বসতবাড়ী।সেহেরীর সময় ডাকাতি হয়েছে।লিখিত এজাহার পেয়ে সকাল ১১টার দিকে আমি সহ ওসি তদন্ত মাসুম,এসআই ইমরুল ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত করি।ভাংচুর,লুটপাটের দৃশ্য দেখেছি।এবিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা দ্রুত নেওয়া হবে।
Leave a Reply