জিয়াউল হক জিয়া,কক্সবাজারঃ
কক্সবাজারের উত্তর বনবিভাগের,বাঁকখালী রেঞ্জাধিন,সদর ও কচ্ছপিয়া বনবিটের সংরক্ষিত বনভূমিতে অবৈধভাবে গড়ে উঠা একটি বসতঘর, একটি পাকা তামাক চুল্লি ও দু’টি অবৈধ করাতকল উচ্ছেদ করলো সংশ্লিষ্ট বনবিভাগ।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সকাল থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
উচ্ছেদ অভিযানটিতে যৌথভাবে নেতৃত্ব দেন-বাঁকখালী রেঞ্জকর্মকর্তা ও সহকারী বনসংরক্ষক (এসিএফ) মোঃ আল আমিন ও ডেপুটি রেঞ্জার এস.এম. মোস্তাফিজুর রহমান।
অভিযানে উপস্হিত ছিলেন- বাঁকখালী সদর ও কচ্ছপিয়া বনবিটের কর্মরত স্টাপ,হেডম্যান ও অল্প সংখ্যক ভিলেজার।
বনবিভাগ সূত্রে জানা গেছে-রেঞ্জাধিন কচ্ছপিয়া বনবিটের মৌলভীকাটা এলাকার সংরক্ষিত বনভূমিতে করা একটি টিনসেট বসতঘর, হাজীরপাড়া এলাকার বেলাল উদ্দিনের একটি পাকা তামাক চুল্লি গুঁড়িয়ে দিয়ে প্রায় ৩০শতক জায়গা দখলমুক্ত করেছে সংশ্লিষ্ট বন-কর্মকর্তারা।
এছাড়াও একই দিনে চেরাংঘাটা এলাকায় হারুনের করা অবৈধ “হারুন স’ মিল”ও সায়েদুল ইসলামের স’মিল গুড়িয়ে দেওযার মাধ্যমে উচ্ছেদ করা হয়েছে।
এবিষয়ে বাঁকখালীর ডেপুটি-রেঞ্জ কর্মকর্তা এস.এম. মোস্তাফিজুর রহমান প্রতিবেদককে বলেন-বাঁকখালী রেঞ্জাধিন এলাকাতে মোট ১১টি করাতকল রয়েছে।তৎমধ্য বৃহস্পতিবার দিনে ২টি করাতকল উচ্ছেদ করি।অবশিষ্ট করাতকলে শীঘ্রই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে।
পাশাপাশি একই দিনে একটি বাড়ী আর একটি পাঁকা তামাক চুল্লি উচ্ছেদ করতে আমরা সক্ষম হয়।এছাড়াও কয়েকদিন আগে বাঁকখালী সদর আর কচ্ছপিয়া বনবিট এলাকায় অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে পাচার করা বিপুল পরিমাণ চোরাই (জ্বালানী) কাঠ জব্দ করি। তাদের বিরুদ্ধে বন-আইন মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্হা নেওয়া হবে। বনভূমি রক্ষায় অবৈধ কর্মকাণ্ড আর দখলদার উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানান তিনি।স্হানীয়রা জানান-অবৈধ কর্মকাণ্ড আর দখলদার-দের এখন আতংকের আরেক নাম আল-আমিন আর মোস্তাফিজ।
Leave a Reply