1. coxsbazarshomachar@gmail.com : admin :
সদ্য পাওয়াঃ
চকরিয়ায় কাভার্ডভ্যান ও সিএনজি গাড়ীর মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত-১,আহত-৩ বন্যা পরিস্থিতির স্হায়ী সমাধানে সরকার বৃহৎ পরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বমু বিলছড়িতে সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল মতলব এর ত্রাণ পেল ৬০০ পরিবার বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন করা হবে, এনজিও ঋণের কিস্তি ও সুদ এক মাস মওকুফ: প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল চকরিয়ার ফাঁসিয়াখালীতে বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ ও কুমারীছড়া ভাঙন পরিদর্শন করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী “চকরিয়া-মাতামুহুরী” বন্যায় ১৭৮০ পুকুর বা মৎস্যঘের ভেসে কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতিঃ চাষিদের মাথায় হাত চকরিয়ায় প্রধান শিক্ষকের ৪ লাখ টাকা ছিনতাই, মারধরের অভিযোগ পশ্চিম পাড়া আনোয়ার মেম্বার এর চাউল পেল ৭০ পরিবার লামায় পাহাড়ধসে নিহতদের পরিবারের পাশে এমপি সাচিং প্রু জেরি বমু বিলছড়িত পশ্চিম পাড়ায় টিপুর উদ্যোগে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ

রামুতে বজ্রপাতে ৪টি গরুর মৃত্যু : কৃষকের আহাজারি

  • পোস্টিং সময় : সোমবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৪

প্রতিনিধি, রামু থেকে :

কক্সবাজারের রামুতে আকস্মিক বজ্রপাতে দরিদ্র কৃষকের ৪টি গরু মারা গেছে।

উপার্জনের একমাত্র সম্বল গরুগুলো হারিয়ে হতবাক হয়ে পড়েছেন ওই কৃষক।

মৃতগরুগুলোর পাশে আহাজারি করতেও দেখা গেছে ওই পরিবারের সদস্যদের।

রবিবার, ২২ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাত রামু উপজেলার জোয়ারিয়ানালা ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের পূর্বপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক শামসুল আলম ওই এলাকার মৃত বাঁচা মিয়ার ছেলে।

জোয়ারিয়ানালা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামাল শামসুদ্দিন আহমেদ প্রিন্স জানিয়েছেন- আকস্মিক বজ্রপাতে শামসুল আলমের ৪ টি গরু মারা গেছে।

গরু ৪ টির মূল্য আনুমানিক ৩ লাখ টাকা।

বিভিন্ন ব্যাংক ও ঋনদান প্রতিষ্ঠান থেকে ঋন নিয়ে শামসুল আলম এসব গরু লালনপালন করে সংসারের জীবিকা নির্বাহ করেন। এখন গরুগুলোকে হারিয়ে তার পরিবার নিঃস্ব হয়ে পড়েছে।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক শামসুল আলম জানান- রবিবার রাত ২ টার দিকে তিনি গোয়াল ঘরের পাশে টং ঘরে বসে গরু পাহারা দিচ্ছিলেন। এসময় বিকট শব্দে আকস্মিক বজ্রপাতে আগুনের ফুলকি ছড়িয়ে পড়ে।

একটু পরে গোয়াল ঘরে তাকাতেই দেখতে পান ৪টি গরু মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে এবং একে একে সবগুলো প্রাণ হারিয়েছে। বেঁচে আছে শুধুমাত্র ৮ মাসের একটি বাছুর।

কয়েকটি সংস্থা থেকে ঋন নিয়ে এসব গরু লালন পালন করছেন। এখন সংসার চালানো দূরের কথা, ঋন পরিশোধ করার মতো সামর্থ্যও তার থাকলো না।

কৃষক শামসুল আলমের মেয়ে রুমা আকতার জানান- তার বাবা ঋনের টাকায় অনেক কষ্টে গরু লালন পালন করে সংসার চালায়। তার কোন ভাই নেই। মা আর ৪ বোনের সংসারে এখন যেন অন্ধাকার নেমে এসেছে।

রামু উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রাশেদুল ইসলাম জানিয়েছেন- দরিদ্র কৃষকদের উপার্জনের একমাত্র সম্বল ৪ টি গরু বজ্রপাতে মারা যাওয়ার বিষয়টি তিনি শুনেছেন।

ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে অর্থ সহায়তা দেয়া হবে। সমাজের বিত্তশালী ব্যক্তিদেরও ওই পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।

সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো পড়ুন
সর্বস্বত্ত্ব সংরক্ষিত © ২০২৩ কক্সবাজার সমাচার
Site Customized By NewsTech.Com