জিয়াউল হক জিয়াঃ
কক্সবাজারের চকরিয়ায় পৈত্রিক বসতভিটার গাছ কাটায় বাঁধায় ছোট-ভাইয়ের দা’র কোপে খুন হলো বড়ভাই নুরুল ইসলাম (৫২)।হত্যার তিনদিন পরে নিহতের স্ত্রী মরিয়ম সাজেদা বাদী হয়ে লিখিত এজাহার দায়ের করলে,দায়েরকৃত এজাহারটি পর্যালোচনা শেষে মামলা হিসাবে রেকর্ড করা হয়েছে।
মামলা রেকর্ড হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন,মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আনোয়ার হোসেন।তিনি বলেন,ছোটভাইয়ের হাতে দিনদুপুরে বড়ভাইকে ছোরা আর দা’র কোপে খুন হয়।দাফন-কাপন সহ নাকি অন্যান্য কাজে ব্যস্ত থাকার থানায় এসে এজাহার দায়ের সময় বিলম্ব করেন নিহতের পরিবার।
শুক্রবার (৩ জুলাই) সকাল ১০ টার দিকে উপজেলার খুটাখালী ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের দক্ষিণ পাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।।
নিহত-নুরুল ইসলাম (৫২) উপজেলার খুটাখালী ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের দক্ষিণ পাড়া গ্রামের মৃত আলী হোছেনের ছেলে।তবে নিহত নুরুল ইসলাম পরিবার থেকে আলাদা হয়ে একই ইউপির ৬নং ওয়ার্ডের হরিখোলা এলাকায় বসবাস করেন।
মামলার আসামীরা হলেন-নিহত ইসলামের ছোটভাই খুনি আব্দুর রহিম (৪২) ও তাঁর স্ত্রী।
মামলার বাদী মরিয়ম সাজেদা জানান,আমার শাশুড়ের বসতভিটা ভাগবন্টন করার হয়নি।তবে ভাগবন্টের প্রক্রিয়া চলছে।এমতাবস্থায় গত শুক্রবার আমার দেবর অর্থাৎ আমার স্বামীর খুনি রহিম বসতভিটার গাছপালা কাটছে।এমন খবর শুনে আমরা তড়িগড়ি করে,ঘটনাস্থলে আসি।তখন আমার স্বামী তাঁর ছোটভাইকে নিষেধ করে।তখন খুনি রহিমের স্ত্রী ক্ষিপ্ত হয়ে তাঁর স্বামী রহিমকে ক্ষিপ্ত করে তুললে,তখন তারা জোর করে আমার স্বামীকে টানাহেঁচড়া করে,তাদের বাড়িতে ঢুকিয়ে ফেলে।এরপর আমার স্বামী ছোরা,দা’দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছে।তখন আমার স্বামীর সুচিৎকারে আমি ঢুকতে চাইলে খুনি রহিমের স্ত্রী দা নিয়ে আমাকে হত্যা করবে বলে ভয় দেখিয়ে তাদের বাড়ীতে ঢুকতে দেয়নি।এরপর আশপাশের লোকজন জুড়ো হয়ে বাড়িতে ঢুকে স্বামীকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আমার স্বামীকে মৃত ঘোষণা করেন।এরপর খবর পেয়ে পুলিশ লাশ নিয়ে গিয়ে ময়নাতদন্ত পাঠান আর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।সব মিলিয়ে মামলা রুজুতে সময় বিলম্ব হলো।
Leave a Reply