1. coxsbazarshomachar@gmail.com : admin :
সদ্য পাওয়াঃ
জীববৈচিত্র্য রক্ষায় হাতিকে বাঁচিয়ে রাখা মানুষের স্বার্থে প্রয়োজন  হাতি সংরক্ষণ ও রক্ষণাবেক্ষণ বিষয়ক ৩ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ শুরু  লামায় দুর্নীতি বিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত চকরিয়ায় ‘সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি’র সভাপতি মনসুর মহসিন, সম্পাদক ইউসুফ ঈদগাঁওতে মাদক সরঞ্জাম নিয়ে দুই যুবক সহ গ্রেফতার ৭ নবগঠিত মাতামূহুরীতে ৪৫ঘন্টার পরে নিখোঁজ শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেন পুলিশ পেকুয়ায় এস আলম আর সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষে হতাহত-৬ লামার কোয়ান্টাম কসমো স্কুলের ৭ জিমন্যাস্টের চীন যাত্রা মালুমঘাট বনাঞ্চলে চারা রোপন করেই ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী সিঙ্গাপুরে আন্তর্জাতিক​ জিমন্যাস্টিকসে কোয়ান্টাম শিক্ষার্থীদের ৯টি পদক জয়

জীববৈচিত্র্য রক্ষায় হাতিকে বাঁচিয়ে রাখা মানুষের স্বার্থে প্রয়োজন 

  • পোস্টিং সময় : শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬

জিয়াউল হক জিয়াঃ
বাংলাদেশ সরকার আগামী ৫বছরে সারাদেশে ২৫ কোটি চারা রোপনের উদ্যোগ নিয়েছেন এবং চকরিয়ার মালুমঘাটের সোয়াজানিয়া নামক স্হানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গত ১৩ জুন চারা রোপন করেই কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন।
তবে এই কর্মসূচির সিংহভাগ চারা কক্সবাজার উত্তর ও দক্ষিণ বনবিভাগের রোপণ করা হবে বলে জানিয়েছেন উত্তরের ডিএফও মোঃ মারুফ হোসেন।তিনি হাতি সংরক্ষণ ও রক্ষণাবেক্ষণ বিষয়ক ৩দিনব্যাপী প্রশিক্ষণের দ্বিতীয় দিনে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
দ্বিতীয় দিনের প্রশিক্ষণে ছিলেন কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের ডিএফও মোঃ মারুফ হোসেন ও দক্ষিণের ডিএফও আব্দুল্লাহ আল মামুন এবং এসিএফ শীতল পাল।
প্রশিক্ষণ যা শিখেছি বা জেনেছিঃ
হাতিরা তৃণভূমিতে বসবাসে অভ্যস্ত।জীববৈচিত্র্য রক্ষার্থে হাতিকে বাঁচিয়ে রাখুন।কারণ চারা রোপন করে,কেবল বন বানানো সম্ভব নয়।সেক্ষেত্রে বনাঞ্চলের ভিতরে প্রাকৃতিকভাবে গড়ে উঠা ছোট-বড়,মাঝারি গাছ,আগাছা কিন্তু বন্যপ্রাণীর সাহায্য হয়ে থাকেন।যেমন-হাতির আকার,আকৃতি,ক্ষুধা,খাবারের পরিযায়ী অভ্যাসে হাতি দানাদার খাবার খাই।সেই খাদ্য আহরণের পরে,যে মল ত্যাগ করেন।সেই মলের দানাদার থেকে জন্ম নেন গহীন বনাঞ্চলের গাছগাছালি।তাই হাতিকে প্রকৃতির বন্ধু বলা হয়।যেমনিভাবে বিভিন্ন বন্যপ্রাণীর মল ত্যাগের মাধ্যমে গাছের প্রজন্ম বাড়ে।বর্তমানে হাতির বিস্তার,বিচরণ,সংকীর্ণ হওয়াতে পাহাড় আছে,বনে নেই,নেই গাছের সবুজায়ন দৃশ্য।তাই হাতি সংরক্ষণে বাড়বে বনের বৃক্ষ,বৃক্ষ বাড়লে,বাড়বে বন্যপ্রাণীর সংখ্যা।ফলে জলবায়ু পরিবর্তনের হ্রাস কমবে।
গবেষণাঃ-গ্রীষ্মমন্ডলীয় বনে ৭৫ থেকে ৯৫ শতাংশ গাছের বীজ ছড়িয়ে পড়ে বন্য পশুপাখির সাহায্য।এই বিশাল অবদান রাখেন কেবল”হাতি”।একটি পূর্ণ বয়স্ক হাতি সপ্তাহে প্রায় একটন প্রথম শ্রেণীর জৈব সার উৎপাদন করে। তাই পরিবেশবাদীরা হাতিকে বলেন,বনের মেগা-গার্ডেনার।
কখন হাতি রেগে উঠে আর বুঝার উপায়ঃ
হাতি যুথবদ্ধ পারিবারিক কেন্দ্রীক প্রাণী।তারা পূর্ব পুরুষের দেখানো পথে চলেন।তাছাড়া হাতি খুবই বিচক্ষণ প্রাণী।হাতি যে জায়গায় একবার যায়।সেই দৃশ্যটি প্রায় বিশ বছর যাবৎ স্মৃতি শক্তিতে রাখতে পারেন।
ফলে হাতির নিরাপদ আবাসস্থল,করিডোরের শ্রেণী পরিবর্তন করলে,হাতি রেগে যায়।মৌসুম ভেদে হাতি লোকালয়ে আসলে,হাতিকে তাড়ানোর জন্য বিরক্ত করলে রেগে যায়।
তখন হাতি রেগে গিয়ে মানুষকে আক্রমণে বাধ্য হয়।যখন হাতি রেগে যায়,তখন হাতির স্বাভাবিক থাকা কান খাড়া হয়ে পিছনের দিকে চলে যায়।এসময় হাতির লেজও খাড়া হয়ে থাকেন।এমতাবস্থায় যদি হাতি লেজ নাড়াচাড়া করে,তখন হাতি আক্রমণ করবে বুঝে নিতে হবে।যদি হাতির স্বাভাবিক কান খাড়া হয়ে সামনের দিকে ঝুকে,তখন হাতির সর্তকতা অবলম্বন করছে মনে রাখা জরুরী।
হাতি দ্বারা যেকোন ক্ষতি পুষিয়ে দেন সরকারঃ-হাতি যদি আপনার ফসল,ঘরবাড়ী নষ্ট করলে,কাউকে আক্রমণ করে আহত বা নিহত করলে,সরকার এসবের ক্ষতিপূরণ দিচ্ছেন।
মানুষ যদি হাতিকে আক্রমণ করে আহত,নিহত করে।তার বিরুদ্ধে জটিল আইনী ব্যবস্হার বিধান করেছেন সরকার।
পৃথিবীর তেরটি দেশের মধ্যে”বাংলাদেশও হাতি আছেন।২০১৫ সালের জরিপ মতে দেশ প্রায় সাড়ে চারশো মত হাতি রয়েছে।
তাই পরিবেশ ও জলবায়ু এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষার বর্তমানে বিলুপ্ত মূখী বিপন্ন প্রাণী হাতির বংশ বিস্তারের জন্য নিরাপদ অভয়ারণ্য গড়ে তোলা আবশ্যক।
হাতি দিবস প্রতিষ্ঠাঃ-২০১২ সালে কানাডিয়ান চলচ্চিত্র নির্মাতা প্যাট্রিসিয়া সিমস ও মাইকেল ক্লার্ক এবং থাইল্যান্ডের এলিফ্যান্ট রিইন্ট্রোডাকশন ফাউন্ডেশনের প্রধান শিভাপর্ন দারদারানন্দ বিশ্ব হাতি দিবস প্রতিষ্ঠা করেন।

সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো পড়ুন
সর্বস্বত্ত্ব সংরক্ষিত © ২০২৩ কক্সবাজার সমাচার
Site Customized By NewsTech.Com