1. coxsbazarshomachar@gmail.com : admin :
সদ্য পাওয়াঃ
“চকরিয়া-মাতামুহুরী” বন্যায় ১৭৮০ পুকুর বা মৎস্যঘের ভেসে কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতিঃ চাষিদের মাথায় হাত চকরিয়ায় প্রধান শিক্ষকের ৪ লাখ টাকা ছিনতাই, মারধরের অভিযোগ পশ্চিম পাড়া আনোয়ার মেম্বার এর চাউল পেল ৭০ পরিবার লামায় পাহাড়ধসে নিহতদের পরিবারের পাশে এমপি সাচিং প্রু জেরি বমু বিলছড়িত পশ্চিম পাড়ায় টিপুর উদ্যোগে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ বন্যার পানি নামতে শুরু করলেও চকরিয়া–মাতামুহুরীর দুর্ভোগ কাটেনি: ফুটে উঠছে ক্ষয়ক্ষতির চিত্র বমু বিলছড়িতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ বমু বিলছড়িতে বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ পৌঁছে দিলেন নুরুল আবছার মাতামূহুরীতে ভাতিজাদের ছুরিকাঘাতে চাচা খুন লামায় পাহাড়ধসে শিশুসহ ৫ জনের মৃত্যু

“চকরিয়া-মাতামুহুরী” বন্যায় ১৭৮০ পুকুর বা মৎস্যঘের ভেসে কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতিঃ চাষিদের মাথায় হাত

  • পোস্টিং সময় : বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬

জিয়াউল হক জিয়াঃ

একটানা নয় দিনের মুষলধারে বৃষ্টিতে পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যা হয়।সেই বন্যার পানিতে কক্সবাজারের চকরিয়া ও মাতামুহুরী উপজেলার মোট ১৭৮০টি পুকুর বা মৎস্যঘেরে চাষকৃত মাছ পানির স্রোতে ভেসে গিয়ে কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখিন হলো চাষিরা। ভয়াবহ এই বন্যার বিপর্যয়ের মুখে চাষিরা র্দূচিন্তায় মাথায হাত দিয়ে গভীর চিন্তা পড়েছে।কারণ লাভের আশায় অনেক চাষি ঋণ করেছিল মৎস্য চাষ।এখন লাভের স্বপ্নভন্ডুল করে দিল আকস্মিক এই বন্যা।
উপজেলা মৎস্য দপ্তরের ক্ষয়ক্ষতির প্রতিবেদন লিপিতে দেখা গেছে,দুই উপজেলাতে আকস্মিক বন্যার কারণে ১৭৮০টি পুকুর ও ঘের ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যার মোট আয়তন ৫৬১ একর।যার আনুমানিক ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়ায় ১১ কোটি ৩লাখ ৬৭হাজার টাকা।বন্যার ফলে অসংখ্য মৎস্যচাষি সরাসরি ক্ষতির মুখে পড়েছেন।
তৎমধ্যে,চকরিয়াতে ক্ষতির পরিমাণ ৬ কোটি ৩ লাখ টাকা। সেখানে ৯৫০টি পুকুর, ৩০ একর জলাশয় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ভেসে গেছে ১৭৮ মেট্রিক টন মাছ এবং ১১ মেট্রিক টন চিংড়ি।
এদিকে মাতামুহুরীতে ক্ষতির পরিমাণ ৫ কোটি ৬৭ লাখ টাকা। উপজেলাটিতে ৭৫০টি পুকুর,৫০ একর জলাশয় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বন্যার পানিতে ভেসে গেছে ১৩০ মেট্রিক টন মাছ এবং ২৩ মেট্রিক টন চিংড়ি।
সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রতিবেদনে উল্লেখ আছে-আকস্মিক বন্যায় কোনো মৎস্যচাষির প্রাণহানি বা আহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।তবে বন্যার ফলে দুই উপজেলাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।তবে শত-শত মাছচাষিরা এখন নতুন করে মৎস্য উৎপাদন নিয়ে অনিশ্চিয়তায় পড়েছেন।
চকরিয়া ও মাতামুহুরী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আনোয়ারুল আমিন বলেন,দুই উপজেলার ১৭৮০টি পুকুর বা মৎস্যঘের চাষিদের ক্ষয়ক্ষতি হিসাব দেখিয়ে
সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কাছে মৎসচাষিদের জন্য সহায়তা চাওয়া হয়েছে। বরাদ্দ পেলে ক্ষতিগ্রস্ত চাষিদের কাছে সহায়তা প্রদান করা হবে।

সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো পড়ুন
সর্বস্বত্ত্ব সংরক্ষিত © ২০২৩ কক্সবাজার সমাচার
Site Customized By NewsTech.Com