1. coxsbazarshomachar@gmail.com : admin :
সদ্য পাওয়াঃ
সরইতে ব্রীজের সড়ক ভেঙে বিচ্ছিন্ন দুর্ভোগে প্রায় ৫০০ পরিবার খুটাখালীতে ভাই হত্যার তিনদিন পরে হত্যা মামলা রেকর্ড বান্দরবানে টানা বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত , লামা-আলীকদম সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ব্র্যাক ব্যাংকের চকরিয়া শাখার ২৫ বছর পূর্তি ও গ্রাহক সমাবেশ অনুষ্ঠিত নাইক্ষ্যংছড়িতে রাবার বাগান থেকে ৬ রোহিঙ্গা শ্রমিককে অপহরণ মাতামুহুরীতে শিশু অপহরণচেষ্টা: যুবককে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রচেষ্ঠায় পেকুয়ায় তিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রায় আট কোটি টাকার বরাদ্দ খুটাখালীতে ছোটভাইয়ের দা’র কূপে খুন হলো বড়ভাই বদরখালীতে ৬ ঘন্টার ব্যবধানে ছোটভাইয়ের পর বড়ভাইয়ের মৃত্যু লামায় প্রধানমন্ত্রীর তহবিল থেকে আর্থিক উপহার বিতরণ

বাড়ি ফেরার উচ্ছ্বাসে সরগরম কমলাপুর স্টেশন

  • পোস্টিং সময় : শনিবার, ২৩ মে, ২০২৬

রাজধানীর ব্যস্ততা, কর্মচাপ আর যান্ত্রিক জীবনের ক্লান্তি পেছনে ফেলে প্রিয়জনের কাছে ফিরতে শুরু করেছেন নগরবাসী। ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে ঘরমুখো মানুষের ঢল।

কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে ঘরমুখো মানুষের আনন্দ, অপেক্ষা, উদ্বেগ আর ভালোবাসায় সৃষ্টি হয়েছে অন্যরকম এক আবহ। প্রিয়জনের মুখ দেখার আকুলতা, মায়ের রান্নার ঘ্রাণ আর শৈশবের ঈদ আনন্দের টানে হাজারো মানুষ ছুটছেন গ্রামের পথে।

শনিবার (২৩ মে) সকালে স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে দেখা যায় মানুষের দীর্ঘ সারি। কারও হাতে বড় ট্রাভেল ব্যাগ, কারও কাঁধে সন্তান, আবার কেউবা পরিবারের সদস্যদের নিয়ে অপেক্ষা করছেন ট্রেনের জন্য।

স্টেশনের ভেতরে হাঁটলেই শোনা যায় নানা রকম আবেগঘন গল্প। কেউ বহুদিন পর গ্রামের বাড়ি ফিরছেন, কেউ বৃদ্ধ বাবা-মায়ের জন্য নিয়ে যাচ্ছেন ঈদের উপহার, আবার কেউ পরিবারের ছোট সদস্যদের জন্য কিনেছেন খেলনা ও নতুন পোশাক।

অনেকের চোখে মুখে ক্লান্তি থাকলেও বাড়ি ফেরার আনন্দ যেন সব কষ্টকে ম্লান করে দিয়েছে। স্টেশনের ১ নম্বর প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়ে থাকা বেসরকারি চাকরিজীবী জিসান আহমেদ বলেন। বলেন, সারা বছর শুধু এই সময়টার জন্য অপেক্ষা করি। মা-বাবার সঙ্গে ঈদ করার আনন্দ আলাদা। ট্রেন দেরি হলেও সমস্যা নেই, বাড়ি তো যাচ্ছি।

মগবাজার থেকে আসা গৃহিণী শেফা আক্তার বলেন, বাচ্চারা কয়েকদিন ধরেই গ্রামের বাড়ি যাওয়ার জন্য অস্থির হয়ে আছে। ট্রেনে কষ্ট হলেও পরিবারের সবাই মিলে ঈদ করার আনন্দের কাছে এটা কিছুই না। বাড়ি ফিরলেই শান্তি।

একই চিত্র দেখা যায় নারী ও শিশুদের মাঝেও। অনেক পরিবার ছোট ছোট সন্তানদের নিয়ে সকাল থেকেই স্টেশনে এসে অবস্থান নিয়েছে। শিশুদের চোখে বাড়ি যাওয়ার উচ্ছ্বাস, নতুন জামা আর ঈদে বাড়ি ফেরার আনন্দ।

সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো পড়ুন
সর্বস্বত্ত্ব সংরক্ষিত © ২০২৩ কক্সবাজার সমাচার
Site Customized By NewsTech.Com